যা এড়িয়ে চলবেন
- সার্জন ও ফিজিওথেরাপিস্টের পরিকল্পনাই আগে। অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত নতুন হাঁটুতে ভর দিয়ে হাঁটু গেড়ে বসা, বজ্রাসন, গভীরভাবে উবু হয়ে বসা, পদ্মাসন এবং পা মাটিতে রেখে মোচড় দেওয়া বাদ দিন। নতুন করে গরম ভাব, লালচে ভাব বা ফোলা হলে, কিংবা এক পায়ের কাফে ব্যথা ও ফোলা হলে (রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাবনা) থেমে যান ও সাহায্য নিন।
সম্পূর্ণ গাইড পড়ুন (ইংরেজিতে)
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
হাঁটু প্রতিস্থাপনের পর কখন যোগ শুরু করা যায়?
শ্বাসের অনুশীলন ও শুয়ে করা হালকা আসন সাধারণত প্রথম কয়েক সপ্তাহেই ফিজিওথেরাপির ব্যায়ামের পাশাপাশি শুরু করা যায়। দাঁড়িয়ে করা আসন প্রায়ই ৪ থেকে ৬ সপ্তাহের কাছাকাছি, আর নিয়মিত হালকা ক্লাস প্রায় ৩ মাস পরে। সবসময় আগে সার্জন বা ফিজিওথেরাপিস্টের সঙ্গে কথা বলুন।
প্রতিস্থাপনের পর যোগ কি হাঁটুর জন্য ভালো?
হালকা যোগ উরু ও নিতম্বের শক্তি বাড়িয়ে, ভারসাম্য উন্নত করে এবং হাঁটু সচল রেখে সাহায্য করতে পারে। একটি ছোট গবেষণায় দেখা গেছে, সম্পূর্ণ হাঁটু প্রতিস্থাপনের পর ফিজিওথেরাপির সঙ্গে পরিবর্তিত যোগাসন যোগ করলে শুধু ফিজিওথেরাপির চেয়ে ব্যথা ও কাজের ক্ষমতার স্কোর ভালো হয়েছে।
TKR-এর পর কোন যোগাসন এড়িয়ে চলা উচিত?
অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত নতুন হাঁটুতে ভর দিয়ে হাঁটু গেড়ে বসা, বজ্রাসন, বীরাসন, গভীরভাবে উবু হয়ে বসা, পদ্মাসন, পা মাটিতে রেখে মোচড়, লাফানো এবং হট যোগ এড়িয়ে চলুন।
হাঁটু প্রতিস্থাপনের পর কি আর কখনো হাঁটু গেড়ে বসা যাবে?
ক্ষতস্থান শুকিয়ে গেলে এবং সার্জন সম্মতি দিলে অনেকেই হাঁটু গেড়ে বসতে পারেন, যদিও প্রায়ই অস্বস্তি লাগে। মোটা কুশনের ওপর কয়েক সেকেন্ড করে শুরু করুন, এবং যোগের সময় নি-প্যাড ব্যবহার করুন।
TKR-এর পর হাঁটু ভাঁজ করার ক্ষমতা কীভাবে বাড়াব?
অল্প অল্প করে বারবার হাঁটু ভাঁজ করুন: গোড়ালি টেনে আনা (হিল স্লাইড), পবনমুক্তাসনে এক হাঁটু বুকে জড়িয়ে ধরা, এবং বসে হাঁটু ভাঁজ করা। পরামর্শমতো ব্যায়ামের আগে ব্যথার ওষুধ নিন, আর ভাঁজ বাড়া থেমে গেলে ফিজিওথেরাপিস্টকে জানান।
হাঁটু প্রতিস্থাপনের পর বিপদের লক্ষণগুলি কী?
কাফে ব্যথা বা ফোলা, বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট, জ্বর, ক্ষত থেকে রস বেরোনো বা লাল হয়ে যাওয়া, কিংবা হাঁটু হঠাৎ অনেক বেশি ফুলে যাওয়া, গরম হওয়া বা ব্যথা করলে দ্রুত সাহায্য নিন।
যোগ চিকিৎসায় সহায়তা করে, চিকিৎসার বিকল্প নয়। ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ চালিয়ে যান এবং শুরু করার আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন, বিশেষ করে হৃদরোগ, অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ, সাম্প্রতিক অস্ত্রোপচার, গর্ভাবস্থা, মৃগী বা তীব্র ব্যথা থাকলে।
