যা এড়িয়ে চলবেন
- তীক্ষ্ণ বা বাড়তে থাকা ব্যথা সত্ত্বেও জোর করে চালিয়ে যাওয়া, কিংবা ভালো দিনে অনেক বেশি করে পরে তার মাশুল দেওয়া। নতুন, তীব্র বা রাতের ব্যথা, অথবা জ্বর বা ওজন কমার সঙ্গে ব্যথা হলে আগে ডাক্তার দেখান।
সম্পূর্ণ গাইড পড়ুন (ইংরেজিতে)
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
যোগ কি দীর্ঘস্থায়ী ব্যথায় সাহায্য করে?
অনেকের ক্ষেত্রে হ্যাঁ। গবেষণা বলছে, ব্যথা এবং ব্যথাজনিত অক্ষমতায় যোগের মাঝারি উপকার আছে, বিশেষ করে দীর্ঘদিনের কোমর ব্যথায়। ডাক্তার বা ফিজিওথেরাপিস্টের সঙ্গে তৈরি বড় পরিকল্পনার অংশ হিসেবে করলে সবচেয়ে ভালো কাজ করে।
দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার জন্য সেরা যোগাসন কোনগুলো?
সহজ, সাপোর্ট-সহ আসন: ধীর শ্বাসের সঙ্গে সুখাসন, মার্জারি-বিটিলাসন (ক্যাট-কাউ), বালিশ নিয়ে বালাসন, নিচু সেতুবন্ধাসন, সুপ্ত বদ্ধকোণাসন, ছোট সুপ্ত মোচড় এবং লম্বা শবাসন।
দীর্ঘস্থায়ী ব্যথায় কত ঘন ঘন যোগ করা উচিত?
সপ্তাহের বেশিরভাগ দিন ১০ থেকে ২০ মিনিটের ছোট, নিয়মিত সেশন সাধারণত সবচেয়ে ভালো। এক-দুই সপ্তাহ একই পরিমাণ রাখুন, আর পরদিন খারাপ না লাগলে তবেই সময় বাড়ান।
যোগের পর গা ব্যথা হওয়া কি স্বাভাবিক?
নতুন সেশনের পর এক-দুই দিন হালকা পেশির ব্যথা স্বাভাবিক। তীক্ষ্ণ ব্যথা, হাত-পায়ে ছড়িয়ে পড়া ব্যথা, অসাড়তা বা ফোলা স্বাভাবিক নয়; থামুন এবং পরামর্শ নিন।
বয়স্কদের গা-হাত-পা ব্যথায় কি যোগ ভালো?
হ্যাঁ। সহজ যোগ ও চেয়ার যোগ গাঁট সচল রাখে আর পেশি মজবুত রাখে। সাপোর্টের জন্য চেয়ার বা দেয়াল ব্যবহার করুন, আর হাঁটুতে ব্যথা থাকলে গভীরভাবে হাঁটু গেড়ে বসা ও পুরো স্কোয়াট এড়িয়ে চলুন।
দীর্ঘস্থায়ী ব্যথায় কি চেয়ার যোগ ভালো?
হ্যাঁ। খারাপ দিনে বা মেঝেতে নামা কষ্টকর হলে বসে যোগ করা ভালো বিকল্প। বসে ক্যাট-কাউ, কাঁধ ঘোরানো, পাশে হেলা, হালকা মোচড় আর ধীর শ্বাস সবই উপকারী।
যোগে কি দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা বাড়তে পারে?
খুব তাড়াতাড়ি খুব বেশি করলে বা তীক্ষ্ণ ব্যথার মধ্যে জোর দিলে বাড়তে পারে। গতি নিয়ন্ত্রণ করুন: অল্প দিয়ে শুরু করুন, ভালো-খারাপ দুই দিনেই একই পরিমাণ রাখুন, আর ধীরে ধীরে বাড়ান।
যোগ কি দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা সারিয়ে দিতে পারে?
না। যোগ ব্যথা কমাতে এবং কাজকর্ম ও মানিয়ে চলার ক্ষমতা বাড়াতে পারে, কিন্তু এটা নিরাময় নয়। ডাক্তারের সুপারিশ করা চিকিৎসার পাশাপাশি করুন।
যোগ চিকিৎসায় সহায়তা করে, চিকিৎসার বিকল্প নয়। ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ চালিয়ে যান এবং শুরু করার আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন, বিশেষ করে হৃদরোগ, অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ, সাম্প্রতিক অস্ত্রোপচার, গর্ভাবস্থা, মৃগী বা তীব্র ব্যথা থাকলে।
