যা এড়িয়ে চলবেন
- সার্জনের অনুমতির আগেই শুরু করা, আর ক্ষতে টান পড়ে এমন কোনো স্ট্রেচ, মোচড়, কোর ব্যায়াম বা উপুড় হয়ে করা আসন। পেট, বুক, হার্ট বা চোখের অপারেশনের পর কপালভাতি, ভস্ত্রিকা ও শ্বাস ধরে রাখা বাদ দিন। জ্বর, লাল বা রস পড়া ক্ষত, এক পায়ের ডিম ফোলা ও ব্যথা, বা হঠাৎ শ্বাসকষ্ট হলে সাহায্য নিন।
সম্পূর্ণ গাইড পড়ুন (ইংরেজিতে)
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
অপারেশনের কত দিন পর যোগ করা যায়?
শ্বাসের ব্যায়াম সাধারণত নার্সদের পরামর্শমতো সেদিন বা পরের দিন থেকেই শুরু করা যায়। হালকা আসনের জন্য সার্জন বা ফিজিওথেরাপিস্টের অনুমতি লাগে, যা অপারেশনের ওপর নির্ভর করে — ছানি অপারেশনের পর কয়েক দিন থেকে পেট, হার্ট বা জয়েন্টের অপারেশনের পর কয়েক সপ্তাহ।
অপারেশনের পর সবচেয়ে ভালো শ্বাসের ব্যায়াম কোনটি?
নিচের পাঁজরে ধীর, গভীর শ্বাস, একটু বিরতি, তারপর ধীরে শ্বাস ছাড়া, এরপর সাপোর্ট দিয়ে কাশি। ইনসেনটিভ স্পাইরোমিটার দেওয়া হলে সেটি যথেষ্ট গভীর শ্বাস নিতে সাহায্য করে।
অপারেশনের পর কোন যোগ করা উচিত নয়?
মোচড়, কোর ব্যায়াম, উপুড় হয়ে করা আসন, ক্ষতের কাছে গভীর স্ট্রেচ, চোখের অপারেশনের পর উল্টো আসন, আর পেট, বুক, হার্ট বা চোখের অপারেশনের পর কপালভাতি ও ভস্ত্রিকার মতো জোরালো প্রাণায়াম।
অপারেশনের পর যোগে কি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে?
হ্যাঁ, খুব তাড়াতাড়ি শুরু করলে বা বেশি জোর দিলে: ক্ষতে টান, হার্নিয়া, হিপ প্রতিস্থাপনের পর জোড় সরে যাওয়া, বা মাথা ঘোরা। শ্বাস দিয়ে শুরু করুন, অনুমতি নিন, আর কিছুতে টান বা ব্যথা লাগলে থামুন।
হিপ প্রতিস্থাপনের পর চেয়ার যোগা কি ভালো?
ফিজিওথেরাপিস্ট রাজি হলে প্রায়ই হ্যাঁ। হিপের সতর্কতা মেনে চলুন, বলা হয়ে থাকলে পায়ের ওপর পা তোলা বা হিপে গভীরভাবে ঝোঁকা এড়ান, আর শক্ত, উঁচু চেয়ার ব্যবহার করুন।
ছানি অপারেশনের পর কি যোগ করা যায়?
কয়েক দিনের মধ্যেই বসে হালকা প্রাণায়াম সাধারণত ঠিক আছে। সার্জন চোখ সেরে গেছে না বলা পর্যন্ত চোখ ঘষা, ভারী জিনিস তোলা, সাঁতার আর মাথা নিচু করা আসন এড়িয়ে চলুন।
অপারেশনের পর শক্তি কীভাবে ফিরে পাব?
অল্প হাঁটা আর বিশ্রামের মধ্যে ভারসাম্য রাখুন, ভালো খান, পর্যাপ্ত জল পান করুন, নিয়মিত ঘুমান, আর গভীর বিশ্রামের জন্য ধীর শ্বাস বা যোগনিদ্রা করুন। শক্তি সাধারণত কয়েক সপ্তাহ ধরে ধীরে ধীরে ফেরে।
যোগ চিকিৎসায় সহায়তা করে, চিকিৎসার বিকল্প নয়। ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ চালিয়ে যান এবং শুরু করার আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন, বিশেষ করে হৃদরোগ, অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ, সাম্প্রতিক অস্ত্রোপচার, গর্ভাবস্থা, মৃগী বা তীব্র ব্যথা থাকলে।
